মঙ্গলবার ০৬, অক্টোবর ২০২৬

০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতাকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩০ এএম

1716

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি ও সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়াকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারের এই আনুষ্ঠানিক ও ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ধারাবাহিকভাবে এবং অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বিশ্বমঞ্চে সর্বদা সংলাপ ও কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে যেকোনো আন্তর্জাতিক উত্তেজনা হ্রাস এবং সব ধরনের সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই ইতিবাচক ও যুগান্তকারী অগ্রগতিতে অবদান রাখা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এবং বিশেষ করে মধ্যস্থতাকারীদের (পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ) আন্তরিক প্রচেষ্টার উচ্চ প্রশংসা করে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করে যে, এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিটি উভয় পক্ষ কর্তৃক পূর্ণ সদ্ভাব ও সততার সঙ্গে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বশান্তির জন্য একটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপ হিসেবে প্রমাণিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশ্বাস করে যে—আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা অত্যন্ত অপরিহার্য। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ হবে।

বাংলাদেশ এই অর্জিত ইতিবাচক গতিকে (মোমেন্টাম) কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বরাজনীতির সব পক্ষকে আগামী দিনেও উন্মুক্ত সংলাপ ও গঠনমূলক কূটনীতির মাধ্যমে বাকি সব অমীমাংসিত জটিল বিষয়গুলো চিরতরে সমাধানের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করে। একই সঙ্গে এই চুক্তির হাত ধরে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) পুনর্বহাল, আন্তর্জাতিক বাজারের স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার দ্রুত পুনরুজ্জীবন ঘটবে বলে বাংলাদেশ গভীরভাবে প্রত্যাশা করে।

Link copied!